সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশীদকে ঘিরে ‘মিথ্যা তথ্য প্রচার’ বন্ধের দাবি পরিবারের

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ- অপরাধ সময়

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সুবলপুর গ্রামের সুবলপুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মামুনুর রশীদকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। একই সঙ্গে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
পরিবারের দাবি, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই তাদের পরিবারের সম্পৃক্ততা ছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে এলাকাবাসীর মতামতের ভিত্তিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয়দের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
মো. মামুনুর রশীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়কে ঘিরে তাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল এবং প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তার বাবা লিয়াকত আলীসহ একাধিক ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তবে পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে মতবিরোধ ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে।
তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ে কিছু অনিয়ম ও নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে আপত্তি তোলার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার শুরু হয়। তার অভিযোগ, বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান ও সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি তাকে উদ্দেশ্য করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছেন।
মামুনুর রশীদের আরও দাবি, গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা তার সম্মানহানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন,
আমি বাংলাদেশের একজন নাগরিক। আমার বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় বিচার হোক। কিন্তু মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে কাউকে দোষী বানানো উচিত নয়।
এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মানবাধিকার সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এলাকাবাসীকেও প্রকৃত তথ্য যাচাই করে অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ জানান।
তবে অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসানের বক্তব্য এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
(দ্বিতীয় পর্বে বিস্তারিত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *