অসহায় ও দরিদ্র মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছেন কোন্ডা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম জনি।

স্টাফ রিপোর্টারঃ-

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং কোন্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জনি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র, শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি স্থানীয়দের কাছে একজন মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন বলে অনেকেই মন্তব্য করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কোন্ডা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে মানুষের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নেওয়া, অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করা, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং শিক্ষা ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে জহিরুল ইসলাম জনিকে নিয়মিত দেখা যায়। এলাকার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক উদ্যোগেও তিনি সহযোগিতা করে থাকেন বলে স্থানীয়রা জানান।

করোনা মহামারির কঠিন সময়ে যখন অনেক পরিবার কর্মহীন হয়ে পড়ে, তখন জহিরুল ইসলাম জনি বিভিন্ন এলাকায় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগে অংশ নেন বলে এলাকাবাসীর দাবি। অনেক অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি মানবিক সহায়তা প্রদান করেন, যা এখনও মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে বলে স্থানীয়রা উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন জহিরুল ইসলাম জনি। কোন্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করেন এবং তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থাকার কথা জানান।

জানা যায়, ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরীর দিকনির্দেশনায় তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে আসছেন।

সাংবাদিকদের এক সাক্ষাৎকারে জহিরুল ইসলাম জনি বলেন, “আমি শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করি। একটি শ্রমিকের কষ্ট কী, তা আমি খুব ভালোভাবে বুঝি। তাই সব সময় শ্রমিক, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। মানুষের সেবা করাই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। আমি চেয়ারম্যান হই বা না হই, মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। কোন্ডা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদরাসা, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে আমার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়েই আমি এগিয়ে যেতে চাই।”

‎এলাকাবাসীর মতে, জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই জহিরুল ইসলাম জনি মানুষের পাশে থেকে যেভাবে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন, তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা করেন। তবে এসব মূল্যায়ন স্থানীয়দের নিজস্ব মতামত। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম জনি চেয়ারম্যান হলে কোনটা ইউনিয়ন একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রূপান্তরিত করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *