স্টাফ রিপোর্টার: শাফায়েত হোসেন
রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন একটি এলাকায় একটি মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
ভুক্তভোগী সাফওয়ান বিন মাহবুব দাবি করেন, জমিটি তার বৈধ মালিকানাধীন সম্পত্তি এবং এটি তার পরিবারের শেষ সম্বল। তিনি বলেন, জীবনের সঞ্চয় দিয়ে জমিটি ক্রয় করেছেন। বর্তমানে জমিটির নামে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগের বিলও তার নামেই চলমান রয়েছে।
তার অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট একটি মহল দারুন আমান হাফিজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনার কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে জমিটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। এমনকি ভাড়া প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে কোনো ভাড়া পরিশোধ করা হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসাটিতে নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে একজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
জমিটির মালিকানা ও মাদ্রাসার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট হাউজিং কর্তৃপক্ষের সভাপতির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও মালিকানা সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
এদিকে জমিটির পূর্ববর্তী মালিকের সঙ্গেও কথা বলেন গণমাধ্যমকর্মীরা। তিনি দাবি করেন, অতীতেও একই জমি নিয়ে বিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে। এ লক্ষ্যে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মানবাধিকার সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
বিঃদ্রঃ প্রতিবেদনে উল্লেখিত অভিযোগসমূহ ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন।